Sunday, June 11, 2017

চারুকলা নির্মাণঃ ছবির পড়াশুনা

চারুকলা নির্মাণঃ ছবির পড়াশুনা
 চারুকলা নির্মাণঃ ছবির পড়াশুনা।
টিউটোরিয়ালঃ চারুকলা নির্মান বা ছবির পড়াশুনা।
চারুকলা নির্মাণ বা ছবির পড়াশুনা বইটি ছবি ও ভাস্কর্য এর ছাত্রছাত্রী, শিল্পী বা সাধারণ মানুষেরা সংগ্রহ করছেন, কলেজ স্ট্রিট থেকে বা অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে ভাস্করের পানের দোকান থেকে, সবাই কে ধন্যবাদ জানাই। এই রকম ছবি ও ভাস্কর্যের বই ভারতীয় কোন প্রকাশনায় নেই। এটা সংক্ষিপ্ত সারা পৃথিবীর আদিম শিল্প ও সংস্কৃতি তথ্য সংবলিত চারুকলা কি বা তার নির্মাণ কেমন তারই সুলুক সন্ধান। সীমিত কপি মুদ্রণ, আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা ও প্রকাশিকার দায় অনুভব করে করা। যারা সংগ্রহ করেননি নিকট বর্তী বইয়ের দোকানে বলে সংগ্রহ করুন। ১৭০ এর অধিক ছবি, ৩২ পাতার, ৭ বাই ৯ ইঞ্চি আকৃতি, ১৩০ জি এস এম আর্ট পেপারে রঙ্গীন ছাপা, ১৫০ টাকা দাম মাত্র। আপনি আর্ট কলেজে পড়ুন আর পন্ডিত হোন- ছবি ও ভাস্কর্য জানতে এরকম সংক্ষিপ্ত ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে না কিনলে আক্ষেপ করবেন।চারুকলা কী ও তার নির্মান জানতে বইটা কি ভাবে ব্যবহার করবেনঃ

১। আপনি ছবি ও ভাস্কর্য সম্পর্কে আগে যা জানতেন তা ভুলে শূন্যে আসুন। শূন্য থেকে প্রস্তুতি নিন। মনে করুন ছয় ঘন্টার একটা ক্লাশে আছেন।
২। বইটা তিনবার গভীর মনযোগ দিয়ে পড়ুন, আমি যা বলতে চেয়েছি তা বোঝার চেষ্টা করুন, ছবিগুলির পটভূমিকা ও আকৃতি ও নির্মাণ সম্পর্কে যতটুকু তথ্য আছে ততটুকু দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন।
৩। সবগুলি ছবি আপনি আবার আপনার ক্ষমতায়, ভাবনায় নকল করে বানান। ছবি ও ভাস্কর্য সমেত। পেন্সিল, চারকোল, কালি কলম, রং তুলি আর ড্রয়িং খাতায়।  সহজলভ্য যা দিয়ে আপনি কপি করতে পারবেন। যততুকু সম্ভব বড় বড় করে এ থ্রি কাগজের সাইজে ছবিগুলি অভ্যাস করুন। 


১ বছর পর আপনি বুঝতে পারবেন যা স্কুল কলেজ আপনাকে বোঝাতে পারেনি আপনি তা উপার্জন করেছেন। শুভ কামনা।





প্রতিবছর আর্ট কলেজ গুলি থেকে এত এত ছাত্রছাত্রী পাশ করে বের হয়। এত এত, হাজারে হাজারে রবিবারের আঁকার স্কুল। , কিন্তু আর্ট নিয়ে সমাজে কয়জন আসে? তারপরও এতগুলি গ্যালারী, ব্যক্তিগত, সরকারী বেসরকারী, রাজ্যে রাজ্যে। চর্চা তো কম হচ্ছেনা। তো শিল্পিরা কোথায় লুকাচ্ছে? হাওয়াতে কান পাতলে শোনা যায়, ছবি বিক্রী হচ্ছেনা। তাই অনেকে ছবি আঁকা ছেড়ে দিচ্ছেন। ভাড়ার উপর নির্ভরশীল অনেক গ্যালারী বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ওদিকে কলেজে পড়ার সুযোগ না পেয়ে, এখানে দুদিন ওখানে দুদিন, এই শিল্পীর সাথে গল্প করে, ঐ শিল্পীকে ফেসবুকে জিজ্ঞেস করে অনেক নিজের ভাবনা দিয়ে স্বশিক্ষিত শিল্পী হয়ে উঠেন। হয়ত পাড়াতে দু একজন আছেন, রবিবার করে ঘন্টা খানেক ছবির নামে সময় কাটান, আর গুগল সার্চ করে কিছু কপি করে বন্ধুদের তাক্‌ লাগিয়ে দিতে চান। তাদের ছবি দু একটা যে বিক্রী হয়না তা নয়। বিক্রী হয়। ওই সারা জীবনে দু একটা। পাঁচ/ সাতশ টাকা করে বড়জোর পাঁচ হাজার টাকায়। কিন্তু এটা একটা স্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি নয়। পেশায় আসার আগে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হয়। যোগ্যতার জন্য চাই অনেক তথ্য ও অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা আসে প্রায়োগিক পরীক্ষা নীরিক্ষার মধ্য দিয়ে। তার জন্য প্রয়োজন শিক্ষকের প্রতিটি কাজকর্ম স্বচক্ষে দেখা। ও নিজে নিজে যাচাই করা। ফাঁকি দিয়ে আর বিনে পয়সায় কিছু অর্জন করাও লজ্জার।
ছবি আঁকা শুধু যা দেখলাম তা আঁকলাম এটা নয়। যুগে যুগে শিল্পীরা কি করেছে তখন জরুরী হয়ে পড়ে। পড়তে হয় শিল্প আন্দোলনের ইতিহাস, মাস্টার পেইন্টারদের বিখ্যাত হয়ে ঊঠার পশ্চাৎ কাহিনী। না পড়লে, না দেখলে সারাজীবন স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।
স্বশিক্ষিত! কানে আসা মাত্রেই শ্রোতা বুঝে নেন, শিল্পী কোন স্তরে অবস্থান করেন। শিল্পী কিন্তু ভাবছেন তিনি বাহাদুরি ক্লরে ফেললেন! তিনি নিজে নিজে এত্তবড় হয়েছেন।
যুক্তি কি বলে? আজকের দিনে শিল্প সাহিত্য কারোর অধীনে, ও কলেজে না পড়াশুনা করে শেখা যায়? তাহলে বুঝতে হবে শিল্প সাহিত্য তুচ্ছ কিছু বাচ্চাদের খেলনা। সাধারণ মানুষ সবাই পারে। কিন্তু তা তো নয়!। আজকের দিনেও নতুন শিল্পীর ছবি বেচাকেনা হয় লাখ লাখ টাকায়। লাখ টাকায় তো সাধারণ ছবি বিক্রী হয়না। অসাধারণ ছবিই বিক্রী হয়। অসাধারণ ছবি তৈরির জন্য অসাধারণ মস্তিষ্ক লাগে। অসাধারণ দক্ষতা লাগে। স্বশিক্ষিতেরা ঐ স্তরে যেতে পারেনা। স্বশিক্ষিতদের অনেকেই সততা রাখেননা। প্রতি মুহূর্তে শিক্ষা কালে তার মনে হয় এই বুঝি তিনি সব শিখে ফেলেছেন।
এরকম কিছু সমস্যা নিয়ে যারা আক্রান্ত তাদের এই বইটি চোখ খুলে দেবে। বিক্রী হোক আর না হোক আপনি ছবি আঁকেন আপনার মনকে প্রকাশ করার জন্য। এ এক অপার শান্তি। আপনার সৃষ্টি। তাকে দামি করে তুলতে হলে আপনাকে যোগ্য করে তুলুন। শিল্প সাহিত্য ডাক্তার ইঞ্জিনীয়ারদের মতনই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ডাক্তার ইঞ্জিনীয়ার হতে গেলে আপনাকে কেমন পড়াশুনা করতে হয়! কতটাকা খরচ হয়? যারা পারে তাদের ব্রাশ আর ক্যানভাস কিন্তু আপনার মতন নয়।

বইটা আপনি কেন কিনবেন?

১। যারা ছবি আঁকার আকাডেমিক ফাউন্ডেশন নেই তারা ইউরোপ আমেরিকার শিল্প আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত ধারণা পাবেন। অতীতের অনেক কাজ নতুন করে আপনি রি-ডিফাইন বা নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে পারেন। যেমন ধরুণ – কিউবিজম, ঘনক বাদ। তখন শিল্পীরা কি করত আজকে কিউবিজম নতুন করে যারা করছে তারা কি করছে?
২। আর্ট কলেজে পড়ছেন বা পাশ করে বেরিয়ে গেছেন, চোখে নতুন সৃষ্টির সন্ধানে উদ্‌গ্রীব তারা এখনো জানেননা পৃথিবীর অন্যান্য রাজ্যগুলিতে ভিন্ন সংস্কৃতির শিল্পীরা কিরকম কাজ করছেন। কারন, তা পূস্তক আকারে আপনার কাছে আসেনি, খবর হয়ে আপনার টিভিতে বা খবরের পাতায় আসেনি। অন্য প্রান্তকে জানা সৃজনশীল কাজের জন্য আবশ্যিক বিষয়।
৩।ছবি আঁকার জন্য, ক) নিত্য নতুন ভাবনা চাই, খ) আঙ্গিক, বুনট বা টেক্সচার, রূপকল্প, গ) পটে বিষয়ের উপস্থাপনা, ঘ) সামগ্রিক বিষয়টার সাথে সমকালীন সম্পর্ক, ঙ) ভাবনার সাথে সামগ্রিক করণ কৌশলে সমকক্ষ হল কিনা, শিল্পতে উত্তরিত হল কিনা না, খবরের কাগজের অলঙ্করন বা আলোকচিত্র মাত্র – এগুলি জড়িত। এগুলির জন্য আপনাকে একজন শিক্ষক/ গুরু/ মেন্টর এর নিকট সান্নিধ্য ছাড়া আপনার কয়েকযুগ লেগে যাবে। এই বইটি সংখ্যাগুলি প্রায়োগিক দিকগুলিও আলোকপাত করবে।
প্রত্যেক সংখ্যায় ভিন্ন রাস্ট্রের শিল্পের ও শিল্পীর অজানা তথ্য, উল্লেখযোগ্য শিল্পীর কথা, আন্তর্জাতিক আলোক পাত। ছবি ও ভাস্কর্য পৃথিবীর এই দশকের আলোড়নকারী শিল্পকর্ম ইত্যাদি থাকবে। এটা একটা হ্যান্ডবুক বন্ধু, ছাত্রছাত্রীদের ও নিজস্ব পরিচিত কয়েকজনের চর্চা বা অনুশীলনের জন্য সীমিত সংখ্যায় প্রকাশ  হচ্ছে।


চারুকলা বা ফাইন আর্টস এ আপনার ছবি  বা ভাস্কর্য উন্নত করতে গেলে আপনার যেদিকে খেয়াল বা  নিজেকে প্রস্তুত রাখা দরকার তা হলঃ
১। শিল্পের বা ছবি বা ভাস্কর্যের অতীত ইতিহাস জানা।
২। আধুনিক পৃথিবীর শিল্পসংক্রান্ত কাজকর্ম সম্পর্কে অববহিত থাকা। শিল্পের সংজ্ঞা বর্তমানে কিভাবে সংগায়িত হচ্ছে, তার ভিত্তিমূলক ভাবনা ও দর্শন  জানা।
৩। কারিগরি বিদ্যা, কলাকৌশল জাতীয়, ও নির্মাণের বৈচিত্রতা। নানা পরীক্ষানিরীক্ষা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা। উপস্থাপনা।
৪। পৃথিবীর বড় বড় নীলামে উঠা কোটি কোটি টাকা মূল্যের শিল্পসামগ্রীর তুচ্ছাতিতুচ্ছ অবস্থা থেকে কি করে মহার্ঘ হয়ে উঠার কাহিনী আপনার অনুসন্ধান দরকার। অমূল্য শিল্প হয়ে উঠার কাহিনী ও চারুকলার মূল্যবোধ গুলি কখন কিভাবে কেন ইতিহাস সৃষ্টি করে তার নেপথ্য জানা দরকার।
 ৫।সমকালীন পৃথিবীর নানা প্রান্তে এক্ষুনি যারা ছবি করছেন , ভাস্কর্য রচনা করছেন বিখ্যাত হয়েছেন তাদের জীবন ও কর্ম জানা দরকার। জানা দরকার তাদের মত আপনি কি করতে পারেন ও কি করা উচিত।

এগুলি আপনার পড়াশুনা থাকলে আপনি আপনার নিজের  শিল্পকর্মকে মহান করে সৃষ্টি করতে পারবেন।
চারুকলা নির্মাণ -এ আমি এইভাবেই  পাঁচটি খন্ড ভেবেছি। আপনাকে পাঁচটি খন্ড সংগ্রহ করতেই হবে।


আমার 'চারুকলা নির্মাণ' বা 'ছবির পড়াশুনা' বইটিতে আমি পরিমিত তথ্য দিয়েছি ও ফাইন আর্টস সম্পর্কে সাধারণের বোঝার জন্য যতটুকু প্রয়োজন তততটুকু দিয়েছি। আদিম চিত্রকলার ছবি দিয়েছি প্রচুর। যেসব ছবি দেখে পিকাশো, মদিগ্লিয়ানি, হেনরি মুর ও অনেক শিল্পী এক শিল্প আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তাদের মতো  করে সেই সব বিষয় বস্তু রাখা আছে। বক্তব্যে ভারাক্রান্ত করিনি যাতে আপনি আপনার মত শিল্প তৈরিতে সার্থক হন। ১৫০ টাকা আজকের দিনে কিছু নয়। কিন্তু আপনার শিল্পীজীবনকে একটা চমৎকার এনে দিতে পারে এই বইটি।  বইটি কিনে ব্যবহার করুন। নরুনে সন্ধান করে সৃজনশীল হয়ে উঠুন। ফাইন আর্টসের সারবত্তা  আছে এই বইয়ে।

পশ্চিমবঙ্গে -দূরের ছাত্রছাত্রী যারা চারুকলা নির্মাণ কিনতে চান--এককপি নিলে ১৫০/ + কুরিয়ের চার্জ ডিটিডিসিতে ১০০ টাকা =মোট ২৫০ পড়বে। আপনি আমার অ্যাকাউন্টে ২০০ টাকা জমা করুন, পেমেন্ট স্লিপ টা এখানে পাঠিয়ে দিন আমি ডিটিডিসি তে  পাঠিয়ে দেব। ২দিনে পেয়ে যাবেন।  যোগাযোগ ৯৩৩০৮৫৮৫৩৬   দেবেন।

পাওয়া যাবেঃ কলেজস্ট্রিট এলাকাতে - টেমার লেনের মুখে পাতিরামের শ্যামল দার সাময়িক প্ত্রপত্রিকার স্টলে।  দেজে (দে বুক স্টোর, বঙ্কিম চ্যাটার্জী স্ট্রিট -এ) অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে মুক্ত মঞ্চের সামনে ভাস্করের পানের দোকানে। 'চারুকলা নির্মাণ' বইটা আমাদের ঠিকানায় এসে সংগ্রহ করতে পারেন। ১ কপি ১৫০ টাকায়। কুরিয়ারে সংগ্রহ করলে কলকাতার মধ্যে ১ কপি ২০০ টাকা। অন্য  কোথাও হলে ১ কপি ১৫০টাকা + কুরিয়ার চার্জ লাগবে। যারা সংগ্রহ করতে চান  আপনার নিকট বইয়ের দোকানে বলে রাখুন। সীমিত সংখ্যা মুদ্রণ হয়েছে। ৩ কপি একসাথে কিনুন, কাউকে উপহার দিন, আমরা  ডিটিডিসি কুরিয়ার করে বই পাঠিয়ে দেব। ১০ কপি নিলে৩০ শতাংশ ছাড় দেব। সমস্ত যোগাযোগ ১৬০ এ বিধান পল্লী, গড়িয়া, নাকতলা, কলকাতা-৮৪। মোবাইলঃ  ৯৩৩০৮৫৮৫৩৬।


contact FaceBook  / or 9330858536  160A Bidhan Pally Kol 84.(JoraPark, PUC, Garia)


Monday, June 5, 2017

Art lesson for all





পেইন্টিং ক্লাবঃ
এটি একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ড্রয়িং ও পেইন্টিং উন্নত করার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। খুব সীমিত ছাত্র সংখ্যা মাত্র সাত জন অব্দি নেওয়া হয়।আমরা শিল্পী তৈরি করি।
আজকের দিনে, এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে আপনি সত্যিকারে শিল্পী হয়ে উঠতে পারবেন। আমাদের দেশে অনেক আর্ট কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বড় বড় পন্ডিত ও অধ্যাপক আছে। আপনাকে কেউ দায়িত্ব নিয়ে শেখাবেনা। আর আপনি সঠিক শিক্ষক না পেলে, হাজার হাজার স্বপ্নবিলাসী শিল্পীর মতো একদিন হারিয়ে যাবেন। শিল্প বোঝাবার জন্য আপনাকে বিশ্বের সেরা শিল্পীদের কাজকর্মের ও জীবনের ভিডিও দেখাবেনা, ঘন্টার পর ঘন্টা লেকচার দেবেনা। কারুর দায় পড়ে নেই। আমাদের দায় আছে, কারণ আমরা চাই, একটা শিল্প আন্দোলন শুরু হোক, নতুন অধ্যায় শুরু হোক এই বাংলায়। হ্যা, আমরা আপনাকে শেখাবার জন্য বেতন নিই।

১। এখানে আপনি আপনার সৃজনশীল ড্রয়িং ও পেইন্টিং নিয়ে বড় হতে পারবেন, শিখতে পারবেন, আত্মপ্রত্যয় ও বিশ্বাস নিয়ে বেড়ে উঠবেন। তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক শিক্ষা পাবেন।
২। আপনার সৃজনশীল কাজের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা হয়। মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয়।
৩। সমকালীন শিল্প নিয়ে আলোচনা, ও সারা বিশ্বের সমকালীন শিল্পীদের কাজ ও তার মূল্যায়ন এবং মহান শিল্পীদের জীবন ও কাজের নিশ্লেষণের ভিডিও দেখান হয়।

কারা যোগ দিতে পারবেনঃ
১৬ বছরের উপর যেকোন ছাত্রছাত্রী যারা ড্রয়িং ও পেইন্টিংকে নিয়ে সারা জীবন চলতে চান, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চান
যারা ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতেন, নানা অসুবিধায় ছবির সাথে দীর্ঘকাল সম্পর্ক নেই, মধ্যবয়সে কর্মজীবনের ফাঁকে সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ করতে চান, প্রদর্শনী করতে চান

শিক্ষার সময়ঃ
প্রতি ক্লাশ ৫ঘন্টা সময় করে মাসে যে কোন চার দিন।
ছাত্রছাত্রীরা ব্যবহার্য জিনিস পত্র নির্দেশ অনুসারে সংগ্রহ করে আসতে হবে।
ছাত্র ছাত্রীদের স্থির করে আসতে হবে ন্যূনতম ৩বছর ক্লাশ করতে হবে।
ক্লাশ ফিঃ
প্রতি ক্লাশ পিছু একহাজার টাকা করে ৪টি ক্লাশ ৪০০০ টাকা, অতিরিক্ত ক্লাশ নিলে সেই অনুযায়ী অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। প্রতিবছর একটি মানপত্র পাওয়া যাবে

হ্যা, এছাড়াও একঘন্টা করে একটি ক্লাশ,মাসে চারদিন,একমাত্র শুরুর ছাত্র ছাত্রীদের জন্য প্রতি রবিবার ৯টা থেকে ১০টা সাধারন ক্লাশ হয়। সেখানে প্রারম্ভিক কিছু শেখানো হয়, ক্লাশ ফিঃ ১০০০ টাকা।
Contact 9330858536
 

Thursday, April 13, 2017

'Zebra Crossing of Mind'

Rainbow Artists and Writers Foundation, Kolkata, presented

  'Zebra Crossing of Mind'


An annual art exhibition showcasing works by 24 emerging and established painters along with ceremonial felicitation of legendary painter, Dhiraj Choudhury.


Honourable Dean of the Faculty of Visual Arts at R.B.U, Prof. Aditya Prasad Mitra has inaugurated the exhibition on Tuesday, April 11, 2017 at 6.30 pm in the presence of eminent personalities
 Tarak Garai,  Jahar Dasgupta, Prashanta Daw, Badal Paul and other guests.

Venue: Birla Academy of Art and Culture. 108 Southern Avenue, Kolkata 29. 2nd Floor. Artworks on display till April 16, 2017, except April 15 - Bengali New Year 1424.



Guest painters:1.Debabrata Chakraborti, 2.Jahar Dasgupta, 3.Chandana Khan, 4.Jackie  Lima, 5. Swapan Kumar Saha,  6.Tapan Pathok,  7.Shukla Bhattacharjee, 8. Albert ashok
Participants: 1. Susmita Barat , 2. Arpita Mondal, 3. Anupama Dey, 4.Moupia Chakraborty, 5. Swastika Koner, 6.Smita Goswami, 7.Richa Agarwal Dalmia, 8,Prakriti Poddar, 9.Purnima Deb, 10.Soumitra Dutta, 11. Syed Azhar, 12. Arpita Dasgupta, 13. Dalia Bandyopadhyay, 14. Tanumoy Ghosh,15. Abhijit Roy Choudhury 16.Dorothy Dutta
Contact: Albert Ashok, Secretary, 9330858536




রেইনবো আর্টিষ্ট এন্ড রাইটারস্‌ ফাউন্ডেশন এর ২৩ তম প্রদর্শনী, ‘জেব্রা ক্রশিং অব মাইন্ড’, ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুরু হল। এই বছর থেকে আমরা শিল্প সাহিত্যে যারা অবদান রেখেছেন, তেমন প্রবীনদের আমরা সম্মান জানাবো স্থির করেছিলাম। সেইমত আমাদের ২য় সম্মান জানানোর অনুষ্ঠান ছিল ১১ এপ্রিল। স্থানঃ বিড়লা আকাডেমি অব আর্ট অ্যান্ড কালচার, ১০৮ সাউদার্ণ এভিন্যু, কলকাতা। কলাসমালোচক প্রশান্ত দাঁ ধীরাজ চৌধুরী সম্পর্কে কিছু বললেন তার তরুণ বয়সের পড়াশুনা থেকে দীর্ঘ জীবনের একটা রুপ রেখা। প্রশান্ত দাঁ ধীরাজ চৌধুরীর জীবনীকার, উনার উপর তার লেখা একটি প্রামান্য গ্রন্থ আছে।
 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অনন্য ভাস্কর ও শিল্পী তারক গরাই, প্রাক্তন অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের প্রেসিডেন্ট, বর্তমানে বিড়লা আর্ট কলেজের ( স্বরসঙ্গম) অধ্যক্ষ ও রেইনবো আর্টিস্টস্‌ অ্যান্ড রাইটারস্‌ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট জহর দাশগুপ্ত, রবীন্দ্রভারতীর ভিস্যুয়াল আর্টের ডিন- আদিত্যপ্রসাদ মিত্র, প্রবীন শিল্পী বাদল পাল, কলাসমালোচক - প্রশান্ত দাঁ, আর অগণিত সাংস্কৃতিক জগতের মানুষ- লেখক সাংবাদিক,চিত্রকার ও ভাস্কর এবং সাধারণ মানুষ।
উপস্থিত ছিলেন প্রদর্শনীতে  অংশগ্রহনকারী শিল্পীরা।
রেইনবো আর্টিষ্ট এন্ড রাইটারস্ফাউন্ডেশন এর ২৩তম শিল্প ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে  এবার যারা আছেনঃ
অতিথি শিল্পীঃ ১।দেবব্রত চক্রবর্তী, জহর দাশগুপ্ত, চন্দনা খান, জ্যাকি লিমা (আমেরিকা), স্বপনকুমার সাহা, তপন পাঠক, শুক্লা ভট্টাচার্য, অ্যালবার্ট অশোক
অংশগ্রহণকারী শিল্পীঃ ১ সৈয়দ আজাহার, সৌমিত্র দত্ত (আসাম), স্মিতা গোস্বামী( মুম্বাই), অনুপমা দে, স্বস্তিকা কোনার, অর্পিতা দাশগুপ্ত, মৌপিয়া চক্রবর্তী, রিচা আগরওয়াল ডালমিয়া, প্রকৃতি পোদ্দার, ১০ পূর্ণিমা দেব, ১১ ডালিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়, ১২ তনুময় ঘোষ, ১৩ ডরোথি দত্ত দত্ত, ১৪ সুস্মিতা বরাট কর্মকার,  ১৫ অর্পিতা মন্ডল, ও ১৬। অভিজিৎ রায়চৌধুরী (ফারাক্কা)
‘রেইনবো আর্টিষ্টস্‌ অ্যান্ড রাইটারস্‌ ফাউন্ডেশন’, ২০০২ সালে শুরু হয়েছিল একটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি হিসাবে, ছোট পত্রিকার মত, এর আর্থিক উৎস কিছুই নেই। যেমন ছোট পত্রিকাগুলি কিছু সাহিত্যিক নিয়ে একটা শুভ ভাবনাকে রুপ দিতে এগিয়ে যায় প্রতিষ্ঠাতার পকেটের টাকায়, তেমনি এই সংগঠনের জন্য। আমরা কারুর কাছে  আজ অবদি কোন দান চাইতে যাইনি। একটা শুভ ভাবনা লালন করে চলেছি। আমরা শুরু থেকে ২টি মূল ভাবনায় কাজ করি।
১। নবীন শিল্পী সাহিত্যিকগণের  যদি কেউ মনে করেন তিনি কিছু সৃষ্টি করতে পেরেছেন, বা তার কাজে কিছু সম্ভাব্য সামাজিক সম্পদ  তার মেধায় উৎপাদিত হয়েছে, অথচ তার প্রকাশ করার কোন মঞ্চ পাচ্ছেননা। আমরা তাদের প্রকাশ করার দায় নিয়েছি। এছাড়া ইউনাইটেড নেশন এর ১৯নং মানবাধিকারের অনুচ্ছেদ – অভিব্যক্তি প্রকাশের স্বাধীনতা প্রত্যেক মানুষের আছে- এই ভাবনা বিশ্বাস করি।
২। আমরা বিশ্বাস করি, সাংস্কৃতিক জগতের সকল মাধ্যমের – ছবি নাটক, গান, সাহিত্য, নাচ ইত্যাদি একটা অন্যটার সাথে কোন না কোন ভাবে যুক্ত, শিল্প সাহিত্য বুঝতে গেলে, তাকে নিয়ে চলতে গেলে একজন মানুষকে সকল বিষয়গুলির সাথে প্রাথমিক পরিচয় রাখা দরকার, দরকার শিল্পী সাহিত্যিকদের একের অন্যকে চেনা। মেলবন্ধন। আমরা এই কাজটা করছি। আর এ বছর থেকে শুরু করছি প্রবীনদের সম্মান জানানো, যাতে নবীনরা তাদের অবদান মাথায় রেখে বাংলার ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
এই ভাবনাগুলি আমাদের মতন আরো অনেক ছোট গোষ্ঠি যদি করে, তাহলে বাংলার প্রভূত সমৃদ্ধি আসতে পারে। নৈরাশ্যতাকে দূরে রেখে এগুতে পারে। এই উদ্দেশ্যে আমরা আমাদের প্রদর্শনীর গ্যালারীতে কবি আবৃত্তিকার গায়ক, নাচের শিল্পী প্রমুখদের আমন্ত্রণ জানাই এবার সেই অনুষ্ঠা হবে আগামী কাল ১৪ই এপ্রিল, বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭।৩০ অব্দি
 সকল বন্ধুদের সাদর আমন্ত্রণ ও চায়ে আপ্যায়ন করছি।












---------------------------0----------------------


































১৪ এপ্রিল, শুক্রবার  প্রদর্শনীর গ্যালারীতে (বিড়লা আকাডেমি অব আর্ট অ্যান্ড কালচার, ১০৮ সাউদার্ণ এভিন্যু, কলকাতা) অসম্ভব কিছু ঘটে গেল, এত সুন্দর একটা অনুষ্ঠান বৈচিত্র পূর্ণ, আমার অনেকদিন মনে থাকবে। অংশগ্রহনকারীদের অনেক ধন্যবাদ জানাই। প্রেক্ষাগৃহের চারদেওয়ালের ফ্রেমে নয়, উন্মূক্ত প্রাঙ্গণে, ছবি সজ্জিত দেওয়ালের সামনে। দেবাশীষ ভট্টাচার্যের অসামান্য বাংলার গান,ও পতত্রী গোষ্ঠির  কবিতার কোলাজে বাংলা শুভনববর্ষের আবাহন, এক অনবদ্য অনুভূতিI পঞ্চতপা র তত্বাবধানে তার দুই ছাত্রীর দুটি নৃত্য নিবেদন, কল্যান পালের কবিতা পাঠের স্বকীয়তা। শিল্পসাহিত্য কি, কেন করি, আলোচনা, কিছু নতুন দর্শক অতিথিদের কবিতা ও গান ও পরিশেষে পৃথ্বীরাজ সেন এর বক্তব্য ছবির গ্যালারীকে উজ্জ্বল করে তুলেছিল। ছবিতে প্রত্যেকের বিশেষ মূহুর্তটি , ছবি তুলেছেন অনেকেই তার মধ্যে অর্পিতা মন্ডলের এই ছবিগুলি। আগামী কাল প্রদর্শনীর শেষদিন।












































































































 ১৬ই এপ্রিল, ২৩তম প্রদর্শনী,  'জেব্রা ক্রশিং অব মাইন্ড' শীর্ষক রেইনবো আর্টিষ্টস্ অ্যান্ড রাইটারস্ ফাউন্ডেশনের যে ছবি ও ভাস্কর্যের প্রদর্শনী টি সমাপ্ত হল। প্রদর্শনীটি অনেক নবীন ও প্রবীন শিল্পী ছিলেন, দুরদুরান্তরের শিল্পীরা ছিলেন।বিশিষ্ট মানুষগনের আনাগোনা ছিল। রেইনবো আর্টিষ্টস্ অ্যান্ড রাইটারস্ ফাউন্ডেশন একটি অব্যবসায়িক সাংস্কৃতিক সংগঠন। আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াসে শিল্পী সাহিত্যিকগণের সুবিধা সৃষ্টি ও পরিষেবা দানই আমাদের কাজ। এই সংগঠনের সদস্য বা যারা আমাদের সাহায্য করেছেন তাদের প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। চলুন আমারা কিছু করে দেখাই। আগামী দিনগুলিতে। - সেক্রেটারি

video